Daily News Portal
ADVERTISEMENT BANNER (728x90)
TOP NEWS
Loading latest posts...
ক্যাটাগরি পোস্টসমূহ: লোড হচ্ছে...
পোস্ট লোড করা হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...
Showing posts with label Featured. Show all posts
Showing posts with label Featured. Show all posts

Tuesday, September 22, 2026

৬৪ জেলায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে AI প্রশিক্ষণ ২০২৬ — আবেদন চলছে, থাকছে দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা.

  তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে দেশের ৬৪ জেলায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বিষয়ে বেসিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের AI ও তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের কোনো কোর্স ফি দিতে হবে না। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ চলাকালে দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা এবং খাবারের ব্যবস্থা থাকবে।

📌 এক নজরে AI প্রশিক্ষণ ২০২৬

প্রশিক্ষণের নাম:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ভিত্তিক বেসিক প্রশিক্ষণ

আয়োজক:
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর

সংশ্লিষ্ট প্রকল্প:
“তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুবদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন”

প্রশিক্ষণের আওতা:
দেশের ৬৪ জেলা

প্রশিক্ষণের মেয়াদ:
২ মাস

প্রশিক্ষণ শুরু:
১ অক্টোবর ২০২৬

প্রশিক্ষণ শেষ:
৩০ নভেম্বর ২০২৬

প্রশিক্ষণের সময়:
প্রতিদিন ৬ ঘণ্টা

প্রশিক্ষণ ফি:
সম্পূর্ণ বিনামূল্যে

ভাতা:
দৈনিক ২০০ টাকা

খাবার:
প্রশিক্ষণ চলাকালে খাবারের ব্যবস্থা থাকবে

সনদ:
সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারীদের সনদ দেওয়ার কথা রয়েছে।

AI প্রশিক্ষণ ২০২৬


🎯 কারা আবেদন করতে পারবেন?

দেশের ৬৪ জেলার আগ্রহী যুবক-যুবতীরা নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করলে এই প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

যোগ্যতা

✅ বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছর হতে হবে।

✅ ন্যূনতম HSC বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

✅ কম্পিউটার ও ICT বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা থাকতে হবে।

✅ দেশের ৬৪ জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

এছাড়া প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কম্পিউটার ও ICT বিষয়ে মৌলিক জ্ঞান এবং ইংরেজিতে

 দক্ষতা থাকা প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে।


🌐 আবেদন করার অফিসিয়াল লিংক

👉 AI প্রশিক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করুন:
dydaiproject.com/apply

আবেদন করার সময় নিজের তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করুন এবং কোনো অপরিচিত ব্যক্তি বা অননুমোদিত মাধ্যমে টাকা প্রদান করবেন না।

শিশুদের স্বাস্থ্যকর খাবার: সুস্থ ও সুন্দর বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় গাইড

  শিশুর সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবারের গুরুত্ব অনেক। শৈশবের সঠিক পুষ্টি শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি, মস্তিষ্কের বিকাশ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং দৈনন্দিন কর্মক্ষমতার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। তাই ছোটবেলা থেকেই শিশুর খাদ্যাভ্যাসে পুষ্টিকর ও বৈচিত্র্যময় খাবার যুক্ত করা প্রয়োজন।

শিশুদের খাদ্যতালিকায় কী থাকা উচিত?

শিশুর বয়স ও প্রয়োজন অনুযায়ী খাবারের তালিকায় বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর খাবার রাখা যায়।

১. দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার

দুধ, দই ও অন্যান্য দুগ্ধজাত খাবার ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের ভালো উৎস। এগুলো শিশুর হাড় ও দাঁতের স্বাভাবিক বিকাশে সহায়তা করে।

২. ডিম ও মাছ

ডিম ও মাছ থেকে পাওয়া প্রোটিন শিশুর শরীরের বৃদ্ধি ও টিস্যু গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাছের বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান শিশুর সামগ্রিক বিকাশের জন্যও উপকারী।

৩. শাকসবজি

পালং শাক, লাল শাক, গাজর, লাউ, পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া ও অন্যান্য মৌসুমি সবজি শিশুর খাবারে রাখা যেতে পারে। শাকসবজিতে থাকা ভিটামিন, খনিজ ও আঁশ শিশুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

৪. ফলমূল

কলা, আপেল, কমলা, পেয়ারা, পেঁপে ও মৌসুমি ফল শিশুর জন্য ভালো খাবার হতে পারে। ফলকে জুসের পরিবর্তে সম্ভব হলে পুরো ফল হিসেবে খাওয়ানো ভালো, কারণ এতে খাদ্যআঁশও পাওয়া যায়।

৫. ভাত, রুটি ও অন্যান্য শস্যজাত খাবার

ভাত, রুটি, ওটস বা অন্যান্য শস্যজাত খাবার শিশুর দৈনন্দিন শক্তির চাহিদা পূরণে সহায়তা করে। বয়স অনুযায়ী উপযুক্ত পরিমাণে এসব খাবার দেওয়া যেতে পারে।

৬. ডাল ও অন্যান্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার

ডাল, ছোলা, মটরশুঁটি ও অন্যান্য ডালজাত খাবার উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের ভালো উৎস। এগুলো শিশুর নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।



কোন খাবার কম দেওয়া ভালো?

শিশুর খাবারে অতিরিক্ত চিনি, লবণ এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার কম রাখা ভালো। কোমল পানীয়, অতিরিক্ত মিষ্টি, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস ও অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবারের পরিবর্তে ফল, দই, ডিম, সবজি বা ঘরে তৈরি নাশতা বেছে নেওয়া যেতে পারে।

শিশুকে স্বাস্থ্যকর খাবারে অভ্যস্ত করার উপায়

শিশুকে জোর করে খাবার খাওয়ানোর পরিবর্তে ধীরে ধীরে বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে পরিচিত করানো ভালো। খাবারে বৈচিত্র্য রাখা, পরিবারের সঙ্গে বসে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করা এবং খাবারকে আকর্ষণীয়ভাবে পরিবেশন করা শিশুর স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে।

শেষ কথা

শিশুর স্বাস্থ্যকর বেড়ে ওঠার জন্য শুধু বেশি খাবার নয়, সুষম ও বৈচিত্র্যময় খাবার গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার, পর্যাপ্ত পানি, ভালো ঘুম এবং সক্রিয় জীবনযাপন শিশুর সামগ্রিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর বয়স, বৃদ্ধি ও বিশেষ খাদ্যচাহিদা অনুযায়ী খাবারের বিষয়ে প্রয়োজনে শিশু বিশেষজ্ঞ বা নিবন্ধিত পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ব্র্যাক জব সার্কুলার: কর্মসূচি সংগঠক (আল্ট্রা-পওর গ্র্যাজুয়েশন প্রোগ্রাম)

  ব্র্যাক বিশ্বের সবচেয়ে বড় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, যা ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা লাভ করে. দারিদ্র্য ও বৈষম্যের মধ্যে বসবাসরত বিশ্বের ১৪ কোটিরও বেশি মানুষের পাশ থেকে ব্র্যাক তাদের উন্নত ও সম্ভাবনাময় জীবন গড়ার সুযোগ তৈরি করতে কাজ করে চলেছে. প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সহায়তার মাধ্যমে দেশের অতি দারিদ্র্য থেকে উত্তরণ ও টেকসই উন্নয়নে ব্র্যাক আল্ট্রা-পওর গ্র্যাজুয়েশন প্রোগ্রাম দেশজুড়ে ৪৫টি শাখার মাধ্যমে প্রায় ২৪ লাখ সদস্যকে দারিদ্র্যমুক্তি এবং টেকসই আর্থসামাজিক ক্ষমতায়নে সহায়তা প্রদান করেছে, যাদের শতভাগই নারী.

ব্র্যাক আল্ট্রা-পওর গ্র্যাজুয়েশন প্রোগ্রাম পরিবারের সদস্য হয়ে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকার উন্নয়নে একজন সহযোগী হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীদের আবেদন করার জন্য আহ্বান করা হচ্ছে.

পদের নাম:

  • কর্মসূচি সংগঠক (আল্ট্রা-পওর গ্র্যাজুয়েশন প্রোগ্রাম)

শিক্ষাগত যোগ্যতা:

  • যেকোনো স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে স্নাতক/স্নাতকোত্তর বা সমমানের ডিগ্রি.

অন্যান্য যোগ্যতা:

  • প্রার্থীদের নিয়মিত মাঠপর্যায়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে এবং দেশের প্রান্তিক ও অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সঙ্গে প্রতিকূল পরিবেশে নিষ্ঠা ও দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করার সক্ষমতা থাকতে হবে.



কাজের বিবরণ:

  • কর্মসূচির নীতিমালা অনুযায়ী উপযুক্ত সদস্য নির্বাচন এবং তাদের জন্য সম্ভাবনাময় আয়বর্ধনমূলক উদ্যোগ বা এন্টারপ্রাইজ চিহ্নিত করা.

  • সদস্যের এন্টারপ্রাইজ উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান, সম্পদ ক্রয় ও হস্তান্তরে সহায়তা, সুদমুক্ত ব্র্যাক সহায়তার অর্থ বিতরণ এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করা.

  • সদস্যের কাছ থেকে নির্ধারিত সময়ে ব্র্যাক সহায়তার অর্থ ও সঞ্চয় সংগ্রহ করা এবং সকল আর্থিক লেনদেন যথাসময়ে শেষ করা.

  • নিয়মিত বাড়ি পরিদর্শনের মাধ্যমে সদস্যের এন্টারপ্রাইজ পরিচালনা ও উন্নয়নে হাতে-কলমে পরামর্শ, কারিগরি সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা, যাতে তারা টেকসইভাবে অতি দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসতে পারে.

  • গ্রুপ ভিজিট ও নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে সদস্যদের স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টি এবং নানা সামাজিক বিষয়ে সচেতনতা তৈরি ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে সহায়তা করা.

  • সদস্যের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অতি দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসতে সহায়তা করার লক্ষ্যে তাদের এন্টারপ্রাইজ ও সামগ্রিক অগ্রগতির নিয়মিত ফলোআপ, তত্ত্বাবধান, নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং মূল্যায়ন করা.

বেতন ও কর্মস্থল:

  • বেতন: সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী.

  • কর্মস্থল: ব্র্যাক মাঠ কার্যালয়.

সুবিধাসমূহ:

  • উৎসব ভাতা, মাতৃত্ব/পিতৃত্বকালীন ছুটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্রাচ্যুইটি, যাতায়াত ভাতা, স্বাস্থ্য ও জীবনবিমা সুবিধা এবং বিবিধ.

আবেদনের শেষ তারিখ:

  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কিভাবে আবেদন করবেন:

আবেদন করতে careers.brac.net বা bdjobs.com-এ লগইন করুন অথবা বিজ্ঞাপনে দেওয়া QR কোডটি স্ক্যান করুন

AI চালাতে এত পানি লাগে কেন? প্রযুক্তির আড়ালে লুকিয়ে থাকা পানির ব্যবহার 💧

  কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। ChatGPT থেকে শুরু করে ছবি তৈরি, ভিডিও তৈরি, অনুবাদ, তথ্য বিশ্লেষণ—প্রতিদিন কোটি কোটি AI-ভিত্তিক কাজ সম্পন্ন হচ্ছে।

কিন্তু আপনি কি জানেন, AI-এর এই বিশাল প্রযুক্তিগত কার্যক্রমের পেছনে পানিও একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়?

অনেকের কাছে বিষয়টি অবাক করার মতো হলেও, এর পেছনে রয়েছে খুবই বাস্তব একটি কারণ—AI চালানোর সার্ভারগুলোকে ঠান্ডা রাখা।

“AI নিজে পানি পান করে না—তবে AI চালানো ডেটা সেন্টারের সার্ভার ঠান্ডা রাখতে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের সঙ্গে পরোক্ষভাবে পানি ব্যবহৃত হতে পারে।”


💧 AI-এর জন্য পানি লাগে কেন?

AI নিজে সরাসরি পানি ব্যবহার করে না। AI মডেলগুলো পরিচালিত হয় বিশাল বিশাল ডেটা সেন্টারে থাকা হাজার হাজার সার্ভার ও GPU-এর মাধ্যমে।

এই সার্ভারগুলো যখন প্রচুর পরিমাণে হিসাব-নিকাশ করে, তখন অনেক তাপ উৎপন্ন হয়। সার্ভার অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে এবং যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিও থাকে।

তাই ডেটা সেন্টারগুলোতে বিভিন্ন ধরনের Cooling System ব্যবহার করা হয়।

কিছু সিস্টেমে পানি ব্যবহার করে তাপ সরিয়ে নেওয়া হয়। আবার কিছু ডেটা সেন্টারে পানি বাষ্পীভবনের মাধ্যমে ঠান্ডা করার ব্যবস্থা থাকে। ফলে AI-এর কম্পিউটিং যত বাড়ে, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পানির ব্যবহারও বাড়তে পারে।

🖥️ শুধু সার্ভার ঠান্ডা করতেই কি পানি লাগে?

না। বিষয়টি আরও একটু বড়।

ডেটা সেন্টারের পানির ব্যবহারকে মোটামুটি দুইভাবে দেখা যায়—

১. সরাসরি পানি ব্যবহার:
ডেটা সেন্টারের Cooling System-এ পানি ব্যবহার করা হয়।

২. পরোক্ষ পানি ব্যবহার:
ডেটা সেন্টার চালাতে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রয়োজন। সেই বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রেও কিছু ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্রে পানি ব্যবহৃত হয়। ফলে AI-এর পানির footprint হিসাব করার সময় সরাসরি ও পরোক্ষ—দুই ধরনের ব্যবহারই বিবেচনা করা হতে পারে।

📊 AI-এর পানি ব্যবহারের পরিমাণ কত?

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা দরকার—প্রতিটি AI প্রশ্নের জন্য নির্দিষ্ট একই পরিমাণ পানি লাগে না।

পানি ব্যবহারের পরিমাণ নির্ভর করতে পারে—

  • কোন ডেটা সেন্টারে কাজটি হচ্ছে
  • সার্ভারের দক্ষতা
  • Cooling System-এর ধরন
  • সেই এলাকার আবহাওয়া
  • বিদ্যুৎ কোথা থেকে আসছে
  • AI মডেলের আকার ও কাজের ধরন

তাই ইন্টারনেটে দেখা “একটি প্রশ্নে ঠিক X মিলিলিটার পানি লাগে”—এ ধরনের সংখ্যাকে সব AI সিস্টেমের জন্য একই সত্য হিসেবে ধরা ঠিক নয়।

২০২৫ সালের একটি গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রে AI সার্ভারগুলোর ২০২৪–২০৩০ সময়কালের সম্ভাব্য বার্ষিক পানি footprint ৭৩১ থেকে ১,১২৫ মিলিয়ন ঘনমিটার পর্যন্ত হতে পারে বলে মডেল করা হয়েছে। গবেষণাটিতে অবশ্য এই হিসাবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অনিশ্চয়তাও রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

🌍 তাহলে কি AI পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর?

বিষয়টি এতটা সরল নয়।

AI আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সহজ করছে। চিকিৎসা গবেষণা, শিক্ষা, ব্যবসা, বিজ্ঞান, সফটওয়্যার উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে AI-এর ব্যবহার বাড়ছে।

তবে একই সময়ে AI-এর দ্রুত বিস্তারের কারণে বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য সম্পদের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। তাই ভবিষ্যতের AI প্রযুক্তিকে আরও পরিবেশবান্ধব করার জন্য দক্ষ Cooling System, কম পানি ব্যবহারকারী প্রযুক্তি এবং পরিষ্কার বিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

উদাহরণ হিসেবে, ২০২৫ সালের একটি Nature গবেষণায় উন্নত cooling technology যেমন cold-plate ও immersion cooling ব্যবহারে ডেটা সেন্টারের পানি ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য হ্রাসের সম্ভাবনা পাওয়া গেছে।

🔬 ভবিষ্যতে কি AI কম পানি ব্যবহার করতে পারবে?

হ্যাঁ, প্রযুক্তি সেই দিকেই এগোচ্ছে।

নতুন প্রজন্মের ডেটা সেন্টারে আরও দক্ষ cooling technology, উন্নত server design এবং শক্তি ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

অর্থাৎ ভবিষ্যতের লক্ষ্য শুধু “আরও শক্তিশালী AI” তৈরি করা নয়—বরং এমন AI তৈরি করা, যা একই কাজ কম বিদ্যুৎ ও কম পানিতে করতে পারে।

💡 শেষ কথা

AI আমাদের ভবিষ্যতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি। কিন্তু এর পেছনে থাকা বিশাল ডেটা সেন্টার অবকাঠামোর পরিবেশগত প্রভাবও আমাদের বোঝা প্রয়োজন।

তাই AI ব্যবহার বন্ধ করার প্রশ্নের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—

কীভাবে আরও দক্ষ, কম পানি-নির্ভর এবং পরিবেশবান্ধব AI প্রযুক্তি তৈরি করা যায়?

প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে যদি পরিবেশের সুরক্ষাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে AI এবং পরিবেশ—দুটোকেই একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

২৮তম ডিএসএসসি (স্পেশাল পারপাস) এএমসি কোর্স সার্কুলার – বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চিকিৎসক হিসেবে যোগ দিন

 বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চিকিৎসক পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে ইচ্ছুক নারী ও পুরুষ প্রার্থীদের জন্য একটি দুর্দান্ত সুযোগ চলে এসেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ২৮তম ডিএসএসসি (স্পেশাল পারপাস) এএমসি (Army Medical Corps) কোর্সে কমিশন্ড অফিসার পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। যোগ্য ও আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।

আজকের এই পোস্টে আমরা এই সার্কুলারের যোগ্যতা, বয়স, আবেদন প্রক্রিয়া এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো এক নজরে দেখে নেব।

এক নজরে ২৮তম ডিএসএসসি (স্পেশাল পারপাস) এএমসি সার্কুলার

  • প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

  • কোর্সের নাম: ২৮তম ডিএসএসসি (স্পেশাল পারপাস) এএমসি (পুরুষ ও মহিলা)

  • পদের ধরণ: কমিশন্ড অফিসার

  • আবেদন শুরুর তারিখ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

  • আবেদনের শেষ তারিখ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬

  • আবেদনের মাধ্যম: অনলাইন

  • আবেদন ফি: ২,০০০ টাকা



আবেদন করার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাগত শর্তাবলী

এই বিশেষ কোর্সে আবেদনের জন্য প্রার্থীদের নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতা থাকতে হবে:

  • এমবিবিএস ডিগ্রি: স্বীকৃত মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি এবং ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন হতে হবে।

  • উচ্চতর ডিগ্রি: বিএমডিসি (BM&DC) কর্তৃক স্বীকৃত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে FCPS / FRCS / MS / MD বা সমমানের উচ্চতর পেশাগত ডিগ্রিধারী হতে হবে।

  • বিশেষজ্ঞ ক্যাটাগরি: সার্কুলারে উল্লেখিত বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের (যেমন- ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন, কার্ডিওলজিস্ট, এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট, নেফ্রোলজিস্ট ইত্যাদি) আবেদনের সুযোগ রয়েছে।

অন্যান্য সাধারণ যোগ্যতা

  • নাগরিকত্ব: প্রার্থীকে অবশ্যই জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।

  • বৈবাহিক অবস্থা: প্রার্থী অবিবাহিত বা বিবাহিত উভয়ই হতে পারবেন।

  • বয়সসীমা: ০১ জানুয়ারি ২০২৭ তারিখে প্রার্থীর বয়স অনূর্ধ্ব ৪০ বছর হতে হবে (এ ক্ষেত্রে কোনো এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়)।

গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও সময়সূচি

  • অনলাইন আবেদন শুরু: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

  • অনলাইন আবেদন শেষ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬ (রাত ১১:৫৯ পর্যন্ত)

  • প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও মৌখিক পরীক্ষা: ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ (ডিজিএমএস অফিস, ঢাকা সেনানিবাস)

যেভাবে অনলাইনে আবেদন করবেন

আগ্রহী প্রার্থীরা খুব সহজেই অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। নিচে ধাপগুলো দেওয়া হলো:

  1. প্রথমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসিয়াল রিক্রুটমেন্ট ওয়েবসাইটে ([https://join.army.mil.bd](https://join.army.mil.bd)) প্রবেশ করতে হবে।

  2. হোমপেজ থেকে "Apply Now" অপশনে ক্লিক করতে হবে।

  3. এরপর ২৮তম ডিএসএসসি (স্পেশাল পারপাস) এএমসি কোর্স সিলেক্ট করে নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত ও পেশাগত তথ্য পূরণ করতে হবে।

  4. নির্ধারিত আবেদন ফি (২,০০০ টাকা) অনলাইনে বা নির্দেশিত পেমেন্ট পদ্ধতির মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।

  5. আবেদন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর ফরমটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট বা সংরক্ষণ করে রাখতে হবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: আবেদনের পূর্বে অবশ্যই অফিশিয়াল নোটিশ বা সার্কুলারটি ভালোভাবে পড়ে নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হলো। কোনো ভুল তথ্য প্রদান করলে প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হতে পারে।